ছুটিতে বাড়ি এসে নিজ চাচাতো ভাই মোফাজ্জল হোসেনকে নৃশংসভাবে কামড়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক এএসআই এর বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত মোফাজ্জল হোসেন এখন পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।
এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামে। গুরুতর আহত মোফাজ্জল হোসেন উপজেলার চন্ডিপাশা ইউনিয়নের ঘাগড়া গ্রামের সফির উদ্দিনের ছেলে। অভিযুক্ত এএসআই আরিফুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা ফয়েজ উদ্দিনের বড় ছেলে এবং বর্তমানে শরীয়তপুর জেলা পুলিশে কর্মরত।
জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে গত রবিবার গভীর রাতে মোফাজ্জল হোসেনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় পুলিশ সদস্য আরিফুল ইসলাম। তাকে পিটিয়ে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়ে গুরুতর আহত করেন। আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠায়। শুধু মারধর নয়—হামলার পর মোফাজ্জলের প্রবাসে যাওয়ার জন্য জমানো ৫ লাখ টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে আরিফুল ইসলাম বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত সোমবার আহত মোফাজ্জলের বড় বোন সালমা আক্তার বাদী হয়ে পাকুন্দিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এ দিকে এ ঘটনার পর পুলিশ সদস্য আহতের আত্মীদের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বলেছেন, "আমি পুলিশ, মারলেও আমাদের বিচার নাই!"
এ বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করব না। বিষয়টি পারিবারিকভাবে সমাধান হবে।” বলেই ফোন কেটে দেন অভিযুক্ত পুলিশ সদস্য আরিফুল ইসলাম।
একজন অফিসারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা




